1. mahbub@krishinews24bd.com : krishinews :
শিরোনাম
কানাইঘাটের কৃষিতে আধুনিক ও যুগোপযোগী সংযোজন সমলয় কর্মসূচি পরির্দশনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেটের  উপ-পরিচালক প্রাণ এগ্রোর বন্ডে বিনিয়োগ নিরাপদ: শিবলী আখের দাম পরিশোধে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেলো বিএসএফআইসি ৩০৭ কোটি টাকায় ৬০ হাজার টন টিএসপি ও ইউরিয়া সার কিনবে সরকার রাজবাড়ীতে হালি পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা কৃষি নিউজ এর পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। বেতাগীতে মাঠ ভরা আমনের সবুজ ধানে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন শায়েস্তাগঞ্জে ১৩০০ কৃষক পেলেন সরকারি প্রণোদনা ‘কৃষিপণ্য রফতানির ক্ষেত্রে পূর্বশর্ত পূরণে কাজ করছে সরকার’ দেশে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গায় ব্যতিক্রমী ফলের চাষ

  • আপডেট টাইম : Thursday, August 6, 2020
  • 496 Views
চুয়াডাঙ্গায় ব্যতিক্রমী ফলের চাষ
চুয়াডাঙ্গায় ব্যতিক্রমী ফলের চাষ

নিউজ ডেস্কঃ
গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে মাল্টা। ছোট ছোট গাছে ঝুলে আছে অসংখ্য থাই জাতের পেয়ারা। এ দৃশ্য চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বালীহুদা গ্রামের। এই গ্রামের বাসিন্দা মিঠু বিশ্বাস নিজ হাতে পরম মমতায় গড়ে তুলেছেন এসব ফলের বাগান। এর পাশেই আছে কাগুজি লেবু, ড্রাগন ফল আর উন্নত জাতের কাশ্মীরি কুলের বাগান। ব্যতিক্রমী এসব চাষ করে ইতিমধ্যেই সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন মিঠু বিশ্বাস। তার দেখাদেখি এলাকার অনেকেই এখন দেশের মাটিতে অর্থকরী এসব চাষে ঝুঁকছেন। স্থানীয় কৃষি বিভাগ বলছে, প্রতি বছরই চুয়াডাঙ্গায় বাড়ছে মাল্টা, থাই পেয়ারা, ড্রাগন ফলের চাষ। জেলার শিক্ষিত তরুণ যুবকরা এসব চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। লেখাপড়া শিখে অনেকেই চাকরি না খুঁজে যোগ দিচ্ছেন কৃষি কাজে। এ কারণে জেলায় ব্যতিক্রমী চাষও বাড়ছে বছর বছর। তাদেরই একজন জীবননগর উপজেলার বালীহুদা গ্রামের তরুণ চাষি মিঠু বিশ্বাস। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। বছর চারেক আগে ভাগ্য বদলাতে যোগ দেন কৃষি কাজে। মিঠু বিশ্বাস বলেন, চাকরিতে সীমিত আয়ের জীবন। স্বাধীনতা কম। কৃষিতে ব্যক্তি স্বাধীনতার পাশাপাশি রয়েছে অধিক আয়ের সুবর্ণ সুযোগ। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ছাড়া কৃষিতে তেমন ঝুঁকিও নেই। এ কারণে তিনি চাকরি ছেড়ে কৃষিতে যুক্ত হয়েছেন।

তিনি ১০ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন তার কৃষি খামার। এ খামার থেকে তিনি বছরে অন্তত ২০-২৫ লাখ টাকা লাভ করতে পারছেন।

জীবননগর শহরের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম মিঠুর মিশ্র ফলের বাগান দেখতে এসেছেন। তিনি জানান, জেলার অনেক তরুণই ব্যতিক্রমী কৃষির মাধ্যমে সফল হচ্ছেন। মিঠুর সাফল্য দেখতেই তিনি তার বাগানে এসেছেন; দেখে তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপপরিচালক সুফি মো. রফিকুজ্জামান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, চুয়াডাঙ্গার চাষিরা বরাবরই ‘ইনোভেটিভ ফার্মার’ হিসেবে পরিচিতি পেয়ে আসছেন। সে ধারাবাহিকতায় এ জেলায় অনেক ফসলই দেশের মধ্যে প্রথম চাষের স্বীকৃতি পেয়েছে। এ জেলার মাটি ও আবহাওয়া কৃষির জন্য বিশেষ উপযোগী। এ কারণে স্থানীয় অনেক শিক্ষিত তরুণ অর্থকরী কৃষিতে ঝুঁকছেন। তারা ব্যতিক্রমী চাষের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। অন্যদিকে আমদানিনির্ভর অনেক ফল-ফসল এখন দেশের মাটিতে উৎপাদন হওয়ায় এসবের আমদানিনির্ভরতাও কমছে। চুয়াডাঙ্গার কৃষি বিভাগ বরাবরই কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

সূত্রঃ বিডি প্রতিদিন

নিউজ টি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন...

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2020 krishinews24bd

Site Customized By NewsTech.Com