তাড়াশে পলো উৎসবতাড়াশে পলো উৎসব

নিউজ ডেস্কঃ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে শত বছরেরও বেশি সময় ধরে পালিত হয়ে আসছে মাছ ধরার ‘পলো উৎসব’। প্রতিবছর শীতের শুরুতেই শুরু হয় এই উৎসব। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

সরজেমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল, বিন্নাবাড়ি, হেমনগর, ইশ্বরপুর, নওখাদা, চরকুশাবাড়ি ও ধামাইচ গ্রামের কিশোর, যুবক ও বয়স্করা দলবেধে পলো দিয়ে মাছ ধরার জন্য খালে ও নদীতে নামছেন। তারা দলবেধে পলো দিয়ে মাছ ধরছেন। প্রায় দুই শতাধিক মানুষ এ উৎসবে মেতে উঠেন। গোমানী নদীতে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে দলবেধে মাছ ধরতে দেখা গেছে।

দলবদ্ধভাবে মাছ শিকারের এ দৃশ্য দেখতে নদীর দুই তীরে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। তারা হাততালি ও জোরে জোরে চিৎকার করে উৎসাহ দেন উৎসবে মাথা ও কোমরে গামছা বাঁধা অংশগ্রহণকারীদের। অনেকটা আনন্দ নিয়েই মাছ ধরতে দেখা যায় তাদের।

উপজেলার ধামাইচ গ্রামের কলেজ শিক্ষক এম হাসিম খোকন বলেন, ‘এই উৎসবের জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন এলাকার সৌখিন মানুষেরা। সবাই মিলে একসঙ্গে মাছ ধরার আনন্দটাই আলাদা। তবে, দিন দিন পরিবেশ ও আবহাওয়ার কারণে নদী-নালা, খাল-বিল, হাওরের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি কম ও অধিকাংশ জলাশয় ইজারা দেয়ায় পলো উৎসবে এখন অনেকটাই ভাটা পড়েছে।’

বয়োবৃদ্ধ করিম মণ্ডল বলেন, ‘শখের বশে গ্রামের লোকজনদের সঙ্গে পলো উৎসবে যাই মাছ ধরতে। এটা এ অঞ্চলে দীর্ঘ দিনের উৎসব।’

(সিরাজগঞ্জের তাড়াশে শত বছরেরও বেশি সময় ধরে পালিত হয়ে আসছে মাছ ধরার ‘পলো উৎসব’। প্রতিবছর শীতের শুরুতেই শুরু হয় এই উৎসব। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

সরজেমিনে দেখা গেছে, উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের কুন্দইল, বিন্নাবাড়ি, হেমনগর, ইশ্বরপুর, নওখাদা, চরকুশাবাড়ি ও ধামাইচ গ্রামের কিশোর, যুবক ও বয়স্করা দলবেধে পলো দিয়ে মাছ ধরার জন্য খালে ও নদীতে নামছেন। তারা দলবেধে পলো দিয়ে মাছ ধরছেন। প্রায় দুই শতাধিক মানুষ এ উৎসবে মেতে উঠেন। গোমানী নদীতে বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে দলবেধে মাছ ধরতে দেখা গেছে।

দলবদ্ধভাবে মাছ শিকারের এ দৃশ্য দেখতে নদীর দুই তীরে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা। তারা হাততালি ও জোরে জোরে চিৎকার করে উৎসাহ দেন উৎসবে মাথা ও কোমরে গামছা বাঁধা অংশগ্রহণকারীদের। অনেকটা আনন্দ নিয়েই মাছ ধরতে দেখা যায় তাদের।

উপজেলার ধামাইচ গ্রামের কলেজ শিক্ষক এম হাসিম খোকন বলেন, ‘এই উৎসবের জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন এলাকার সৌখিন মানুষেরা। সবাই মিলে একসঙ্গে মাছ ধরার আনন্দটাই আলাদা। তবে, দিন দিন পরিবেশ ও আবহাওয়ার কারণে নদী-নালা, খাল-বিল, হাওরের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি কম ও অধিকাংশ জলাশয় ইজারা দেয়ায় পলো উৎসবে এখন অনেকটাই ভাটা পড়েছে।’

বয়োবৃদ্ধ করিম মণ্ডল বলেন, ‘শখের বশে গ্রামের লোকজনদের সঙ্গে পলো উৎসবে যাই মাছ ধরতে। এটা এ অঞ্চলে দীর্ঘ দিনের উৎসব।’

সুত্রঃ ঢাকাটাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *