1. mahbub@krishinews24bd.com : krishinews :
শিরোনাম
শাক বীজ উৎপাদনে চুয়াডাঙ্গার কৃষকদের ভাগ্য বদল সারাদেশে বিনামূল্যে কৃষকের ধান কাটার উদ্বোধন করল কৃষক লীগ হিটশকে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৪২ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ব্রি উদ্ভাবিত জাতগুলো খাদ্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে সরকার কৃষকের ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করবে: খাদ্যমন্ত্রী বেতাগীতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন বেতাগীতে বাদাম চাষে ঝুঁকে পড়ছে কৃষক শুরু হলো বাংলাদেশ সয়েল ক্লাবের নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম বাঘা থেকে প্রত্যয়ন নিয়ে ধান কাটতে এলাকা ছাড়ছেন ২০ হাজার শ্রমিক কৃষিভিত্তিক শিল্পায়নে জোর দেয়ার আহ্বান তিন অর্থনীতিবিদের

ধানের টুংরো রোগ দমনে বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা

  • আপডেট টাইম : Monday, July 13, 2020
  • 261 Views
কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম লিটন
সারাদেশে আউশের জমিতে টুংরো রোগের আক্রমণ পরিলক্ষিত হচ্ছে। আপনাদের জ্ঞাতার্থে এই রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে নিম্নোক্ত পরামর্শটি গ্রহণ করতে পারেন।

টুংরো রোগ পরিচিতিঃ

  • ধানের টুংরো রোগ / Tungro Disease of Rice (ভাইরাসজনিত রোগ)।
  • সবুজ পাতাফড়িং টুংরো রোগ ছড়ায়।
  • টুংরো রোগের বিশেষ লক্ষণ হলো ক্ষেতের সব গাছেই  এক সংগে আক্রমণ হয় না।
আক্রান্ত জমির লক্ষণঃ
আক্রান্ত পাতা প্রথমে হালকা হলুদ এবং পরে গাঢ় হলুদ থেকে কমলা বর্ণের হয়ে যায় । কচি পাতাগুলো পুরাতন পাতার খোলের মধ্যে আটকে থাকে । পাতা ও কান্ডের মধ্যবর্তী কোণ বেড়ে যায় ও গাছ খাটো হয় । আক্রান্ত ধান গাছ পাতা পর্যন্ত বেঁচে থাকলে ও আক্রমণ তীব্র হলে গাছ টান দিলে উঠে আসে এবং শুকিয়ে খড়ের মত হয়ে যায় । বিক্ষিপ্তভাবে কিছু কিছু গাছের প্রথমে হলুদ হয়ে আক্রান্ত গুছির সংখ্যা বাড়তে থাকে । অনেক সময় বীজতলাতেই টুংরো আক্রমণে হলুদ বর্ণের চারা দেখা যায় । কিছুটা নাইট্রোজেনের ঘাটতির মত মনে হয় ।
জৈবিক দমন ব্যবস্থাঃ
  • আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে সবুজ পাতা ফড়িং মেরে ফেলতে হবে।
  • হাতজালের সাহায্যে পোকা ধরে মেরে ফেলতে হবে।
রাসায়নিক দমন ব্যবস্থাঃ 
(যেকোনো একটি রাসায়নিক দমন ব্যবস্থা অনুসরণ করুন)
  • এমামেকটিন বেনজয়েট ২০% + থায়ামেথোক্সাম ২০% গ্রুপের ঔষধ যেমন- বেনথিয়াম ৪০ ডব্লিউ ডি জি ২.৫ গ্রাম প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ৫০ গ্রাম।
  • থায়ামেথোক্সাম ১৪.১% + ল্যাম্বডা সাইহ্যালোথ্রিন ১০.৬% গ্রুপের ঔষধ যেমন, ল্যামিক্স ২৪.৭ এস সি ২০ মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ৪০০ মিলি।
  • ক্লোরোপাইরিফস গ্রুপের ঔষধ যেমন- ডারসবান ২০ইসি/ক্লাসিক ২০ইসি/সাইরেন ২০ ইসি/লিথাল ২০ইসি/পাইরিফস ২০ইসি, ২০ মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ৪০০ মিলি।
  • কার্টাপ গ্রুপের ঔষধ যেমন- সানটাপ ৫০ এসপি ২৫ গ্রাম প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে।
  • কার্বোসালফান গ্রুপের ঔষধ যেমন, মার্শাল ২০ ইসি ২০ মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ৪০০ মিলি।
  • ম্যালাথিওন গ্রুপের ঔষধ যেমন, ফাইফানন ৫৭ ইসি/হিলথেওন ৫৭ইসি/মালাডান  ৫৭ ইসি/লিমিথেওন ৫৭ ইসি/রাজথেওন ৫৭ ইসি ২০ মিলি /১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ৪০০ মিলি।
আপনার জমিতে উল্লেখিত পোকার আক্রমণ এবং রোগের লক্ষন দেখা দিলে দ্রুত উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয় অথবা আপনার নিকটস্থ ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
লেখকঃ কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম লিটন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা

নিউজ টি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন...

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2020 krishinews24bd

Site Customized By NewsTech.Com