1. mahbub@krishinews24bd.com : krishinews :
শিরোনাম
কানাইঘাটের কৃষিতে আধুনিক ও যুগোপযোগী সংযোজন সমলয় কর্মসূচি পরির্দশনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেটের  উপ-পরিচালক প্রাণ এগ্রোর বন্ডে বিনিয়োগ নিরাপদ: শিবলী আখের দাম পরিশোধে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ পেলো বিএসএফআইসি ৩০৭ কোটি টাকায় ৬০ হাজার টন টিএসপি ও ইউরিয়া সার কিনবে সরকার রাজবাড়ীতে হালি পেঁয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষকরা কৃষি নিউজ এর পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। বেতাগীতে মাঠ ভরা আমনের সবুজ ধানে দোল খাচ্ছে কৃষকের স্বপ্ন শায়েস্তাগঞ্জে ১৩০০ কৃষক পেলেন সরকারি প্রণোদনা ‘কৃষিপণ্য রফতানির ক্ষেত্রে পূর্বশর্ত পূরণে কাজ করছে সরকার’ দেশে দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা নেই: খাদ্যমন্ত্রী

সিংগাইরে নামতে শুরু করেছে বন্যার পানি, দৃশ্যমান হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতি

  • আপডেট টাইম : Wednesday, August 12, 2020
  • 532 Views
বন্যার পানিতে ডুকে থাকা সবজি ক্ষেত - ছবি : নয়া দিগন্ত
বন্যার পানিতে ডুকে থাকা সবজি ক্ষেত - ছবি : নয়া দিগন্ত

নিউজ ডেস্কঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বন্যাপ্লাবিত এলাকা থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। সেই সাথে দৃশ্যমান হচ্ছে বন্যায় কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও। পানিতে নিমজ্জিত সবজি মাচাসহ জেগে উঠতে শুরু করেছে সকল প্রকার নষ্ট হওয়া ফসলি জমি। তারপরেও পুনরায় বন্যা আতংক কাজ করছে তাদের মধ্যে। ফলে বাড়ছে হতাশা।

এদিকে, নতুন করে সবজি এবং অন্যান্য ফসলের বীজ সংগ্রহ, বীজতলা তৈরি, জমি চাষ, সার ও কীটনাশক ক্রয়ে তাদের যে মোটা অংকের অর্থ প্রয়োজন তা নিয়ে কৃষকরা পড়েছেন বিপাকে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৬৯ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও স্থানীয় কৃষকদের ধারণা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরো বেশি। একদিকে চলমান মহামারি করোনা অন্যদিকে আকস্মিক বন্যার কবলে ফসল হারিয়ে প্রায় ২০ হাজার কৃষক এখন নিঃস্ব। এলাকার কৃষক পরিবারের দুর্ভোগ এখন চরমে। কৃষকরা এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার সরকারি-বেসরকারিভাবে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা পাননি। তাদের ঘুরে দাঁড়াতে প্রয়োজন সরকারের সুদৃষ্টি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমির ফসল পানিতে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। এ উপজেলাটিতে ১ হাজার ৮ শ’ হেক্টর জমিতে মাচা আকারে বিভিন্ন প্রকার সবজি চাষ করা হয়েছিল। যার মধ্যে ১ হাজার ৬ শ’ হেক্টরই পানিতে তলিয়ে গেছে। ৩ শ’ ৫০ হেক্টর জমির পেঁপে ক্ষেত প্রায় পুরোটাই বন্যাকবলিত হয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোনা আমন ধান ও ২ হাজার ৭ শ’ হেক্টর রোপা আমনের মধ্যে ২ হাজার ৫ শ’ হেক্টর পানিতে নিমজ্জিত। এছাড়া ৮ শ’ হেক্টর পাটের মধ্যে সাড়ে ৩ শ’ হেক্টর জমির পাট চাষিরা কাটতে পেরেছেন। আউশ ধানসহ বিভিন্ন সবজি এবং ফলদ বাগান নষ্ট হয়েছে। অন্যান্য সেক্টরের চেয়ে কৃষিনির্ভর এ অঞ্চলে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ টিপু সুলতান সপন বলেন, কৃষকরা যাতে বন্যা পরবর্তীতে তাদের ক্ষয়-ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারেন সেজন্য সরকারি প্রনোদনার পাশাপাশি স্বল্পমূল্যে সার ও বীজ সরবরাহ করা হবে। সেই সাথে তাদেরকে সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হবে।
সুত্রঃ: নয়া দিগন্ত

নিউজ টি শেয়ার করে অন্যদের জানার সুযোগ করে দিন...

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2020 krishinews24bd

Site Customized By NewsTech.Com